সচিনও হার মানলেন এই চার বছরের খুদের কাছে!

বয়স তার মাত্র ৪। কিন্তু ক্ষুদ্র হলেও সে যে তুচ্ছ নয়, তা প্রমাণ করল শায়ন জামাল। যে বয়সে তার সঙ্গীরা পুতুল খেলায় ব্যস্ত, সেই বয়সেই একটি ক্রিকেট দলের সদস্য হয়ে একেবারে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সে। দিল্লিতে তার স্কুলের অনূর্ধ্ব ১২ দলে ডাক পেয়েছে এই খুদে। হ্যাঁ, চার বছর বয়সে, যে রেকর্ড সচিন তেন্ডুলকরের ঝুলিতেও নেই।

শায়নের বয়স যখন তিনের আশেপাশে, তখনই টিভিতে ক্রিকেট খেলা হলে দাঁড়িয়ে যেত সে। টিভি দেখে 
ব্যাটসম্যানদের নকল করার সেই শুরু। ক্রিকেট খেলা তো দূর, যে বয়সে ভাল করে ব্যাট ধরাটাই একটা চ্যালেঞ্জ, সেই বয়সে তাঁর ডিফেন্স দেখে হাঁ হয়ে গিয়েছেন স্কুলের প্রশিক্ষক। সবচেয়ে আকর্ষণীয় নাকি তার কভার ড্রাইভ। এই বয়সেই তার প্রতিভা দেখে স্কুল দলে নিতে দ্বিতীয় বার ভাবেননি নির্বাচকরা। দিল্লির হামবার্ড পাবলিক স্কুলের হয়ে এই মরসুমে খেলবে সে।

শায়নের বাবা আর্শাদ জামাল নিজেও ক্লাব পর্যায়ে ক্রিকেট খেলেছেন। তাঁর কথায়, “দু’দিন মাঠে না যেতে পারলেই কান্নাকাটি শুরু করে দেয় শায়ন। ওর মধ্যে প্রচুর প্রতিভা রয়েছে। আমি শুধু চেষ্টা করছি ওকে সঠিক রাস্তাটা

সাসেক্সের ফেসবুক পাতায় বাংলায় স্ট্যাটাস!

মোস্তাফিজে মুগ্ধ সাসেক্স। বাংলাদেশি এই ক্রিকেটার এবং দেশে তার ভক্তদের প্রতি যারপর নাই কৃতজ্ঞও তারা। সেই মুগ্ধতা এবং কৃতজ্ঞতা জানাতে ক্লাবটি তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় বাংলায় স্ট্যাটাস দিয়েছে। তারা লিখেছে: আজকের ম্যাচ শুরু হবে রাত 11.30 (১১.৩০) টায়, আপনাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ! ‪#‎SharksTogether ‪#‎SussexFamily

বলতে গেলে ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টুর্নামেন্টটিতে মোস্তাফিজ যেন আরো ক্ষুরধার। অভিষেক ম্যাচেই নিজেকে

সুপার কাপেই মাঠে ফিরবে রোনালদো: মার্সেলো

ইউরো ফাইনালে দিমিত্রি পায়েটের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল খেলার মাত্র ২৪ মিনিটেই। সঁ দেনি সেই রাতে দেখেছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে। শেষপর্যন্ত ফ্রান্সকে হারিয়ে ইউরো কাপ পর্তুগাল জিতলেও, ‘‌সি আর সেভেনের’‌ চোট নিয়ে চাপা শঙ্কা তাঁর অনুরাগীদের মনে রয়েই গেছে। গত দুই সপ্তাহ পর্তুগীজ মহাতারকা কাটিয়েছেন একেবারে ছুটির মেজাজে।

ফুটবল মাঠে ফিরছেন ঠিক কবে নাগাদ?‌ প্রশ্নটা উঠছে। আলো ফেললেন রিয়েলে ‘‌সি আর সেভেনের’‌ ব্রাজিলীয় সতীর্থ মার্সেলো। বলেছেন,‘‌ক্রিশ্চিয়ানোর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ইউরো জেতার জন্য ওকে অভিনন্দনও

মুস্তাফিজ না পারলে দল জেতে না!

মুস্তাফিজের দুর্দান্ত কিছু করা মানেই জয়? তিনি না পারলে দল জিতবে না। অনেকটা তা-ই মনে হচ্ছে। কাউন্টি ক্রিকেটের অভিষেক ম্যাচে তার দুর্দান্ত খেলাতেই বৃহস্পতিবার জিতেছিল সাসেক্স। শুক্রবারও তার ওপর চেয়েছিল দলটি। কিন্তু তিনি পারেননি, তার দলও হেরে গেছে।

প্রথমে ব্যাট করে নেমে মুস্তাফিজদের সাসেক্স করে ৬ উইকেটে ১৫৩ রান। জবাবে সারে ১০ বল বাকি থাকতই জয় তুলে নেয় ৪ উইকেট হারিয়ে।
৩.২ ওভারে ৩১ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন মুস্তাফিজ। ২৪ হাজার ৫০০ দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়াম প্রায় পূর্ণ ছিল। মুস্তাফিজ ও সাসেক্সকে সমর্থন দেওয়ার জন্য পাঁচশর বেশি প্রবাসী বাংলাদেশী মাঠে আসেন। তবে
Recent Posts Widget