অস্ট্রেলিয়ায় হতে পারে তাসকিনের পরীক্ষা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝপথে অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে নিষিদ্ধ হন পেসার তাসকিন আহমেদ। এরপর দেশে ফিরেই অ্যাকশন শুধরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দেন তিনি। নেমে পড়েন পুনর্বাসনে।
দীর্ঘ পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় তাসকিনের অ্যাকশনের ত্রুটি এখন অনেকটাই সেরে ওঠেছে। বিসিবির বোলিং অ্যাকশন রিভিউ কমিটির সদস্যরা এই তরুণ পেসারের বাউন্সারে আর কোনো সমস্যা দেখছেন না।
তাই অচিরেই এই ডানহাতি পেসারের বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দেওয়া হবে আইসিসির অনুমোদিত কোনো ল্যাবে। হতে পারে অস্ট্রেলিয়ায়।
রোববার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষার জন্য তাসকিনকে অস্ট্রেলিয়া পাঠানো হতে পারে। এ ব্যাপারে মোটামুটি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। ইতিবাচক রিপোর্ট পেলে সঙ্গে আরাফাত সানিকেও পাঠানো হতে পারে।
ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন আম্পায়াররা। এরপর ১৪ মার্চ চেন্নাইতে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দেন তিনি। ১৯ মার্চ আইসিসি তাঁকে নিষিদ্ধ করে, ত্রুটি আছে এই
অভিযোগে।
এই নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের জন্য বিসিবি পরে আবার আইসিসির কাছে আবেদন করে। কিন্তু দীর্ঘ শুনানি শেষে বিসিবির এই আবেদনও খারিজ করে দেয় আইসিসি।
অথচ তাসকিনের স্টক বল (গুড লেন্থ) এবং ইয়র্কারে কোনো ধরনের অনিয়ম পায়নি আইসিসি। তবে পরীক্ষার সময় তাসকিনকে মাত্র তিন মিনিটে নয়টি বাউন্সার করতে বলা হয়। এর মধ্যে তিনটি বল আইনসম্মত ছিল না।
কিন্তু যে ম্যাচটির বোলিং নিয়ে আম্পায়াররা তাসকিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সেই ম্যাচটিতে তাসকিন একটিও বাউন্সার দেননি!
Recent Posts Widget